২০১৩ সাল থেকে হাতিয়াবাসীর কাছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিয়ে আসছে অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘তিলোত্তমা হাতিয়া’। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে নৌযান চলাচল, ঘাটের পরিস্থিতি, আবহাওয়া ও যাতায়াতসংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে প্ল্যাটফর্মটি।
সম্প্রতি এক বার্তায় তিলোত্তমা হাতিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারও পক্ষ বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া কিংবা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দালালি করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। হাতিয়ার মানুষের কাছে সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী তথ্য পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
দ্বীপ উপজেলা হওয়ায় হাতিয়ার মানুষের যাতায়াতব্যবস্থা মূলত নৌপথনির্ভর। আবহাওয়ার পরিবর্তন, নৌযান চলাচলের সময়সূচি, ঘাটের পরিস্থিতি ও অন্যান্য কারণে যাত্রীদের প্রায়ই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এসব বিষয়ে যাত্রীদের আগাম তথ্য দিতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে আসছে তিলোত্তমা হাতিয়া।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ তথ্যসেবা পরিচালনার জন্য তারা কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে না। নিজেদের অর্থে ইন্টারনেট ডাটা কিনে এবং ব্যক্তিগত সময় ব্যয় করে তথ্যগুলো সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হয়।
বার্তায় বলা হয়, ‘আমরা নিজেদের টাকা খরচ করে ইন্টারনেট ডাটা কিনে আপনাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করি। এর বিনিময়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমরা কোনো টাকা বা সুবিধা পাই না।’
তিলোত্তমা হাতিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবামূলকভাবে পরিচালিত এ তথ্যসেবা কার্যক্রমে হাতিয়াবাসীর সহযোগিতা ও গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করা হয়।
তবে অযথা কটু, অশালীন ও ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, ভুল বা তথ্যগত কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা গঠনমূলকভাবে তুলে ধরলে সংশোধনের সুযোগ থাকে।
বার্তায় আরও বলা হয়, অপ্রয়োজনীয় নেতিবাচক মন্তব্য স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে নিয়োজিতদের উৎসাহ কমিয়ে দিতে পারে। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যতে এ ধরনের তথ্যসেবা অব্যাহত রাখা কঠিন হতে পারে।
তিলোত্তমা হাতিয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘আমরা কারও তোষামোদ করি না। সত্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরাই আমাদের দায়িত্ব।’
উল্লেখ্য, ২০১৩ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক এ প্ল্যাটফর্মটি হাতিয়ার নৌযান চলাচল, ঘাট, আবহাওয়া ও যাতায়াতসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করে আসছে।
হাতিয়ার কথা