ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জোয়ার-ভাটার হুমকিতে হাতিয়ার বেড়িবাঁধ, ১৬ স্থানে জরুরি কাজের সুপারিশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই, ২০২৬
জোয়ার-ভাটার হুমকিতে হাতিয়ার বেড়িবাঁধ, ১৬ স্থানে জরুরি কাজের সুপারিশ ছবির ক্যাপশন: জোয়ার-ভাটার হুমকিতে হাতিয়ার বেড়িবাঁধ, ১৬ স্থানে জরুরি কাজের সুপারিশ
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা বর্ষণ, অস্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা এবং নদীর তীব্র স্রোতের কারণে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সম্ভাব্য নদীভাঙন ও জনপদের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ, সিসি ব্লক ও নদীতীর সংরক্ষণকাজ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তুতকৃত তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, চানন্দী ইউনিয়নের থানারহাট থেকে আল আমিন বাজার, ইছা দরবেশ বাজার, নদীপাড়, করিম বাজার হয়ে ভূমিহীন বাজার পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকায় জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া চরকিং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আলমের খালপাড় এলাকায় প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ মিটার, সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা ও পশ্চিম মাইটভাঙা, সুখচর ইউনিয়নের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং দরগা এলাকা, নলচিরা ইউনিয়নের নলচিরা ঘাট থেকে তুলাতলিয়া পর্যন্ত, হরনি ইউনিয়নের টাংকি বাজার থেকে চেয়ারম্যান ঘাট সংলগ্ন এলাকা, তমরদ্দি ইউনিয়নের কাটাখালী থেকে চেংগা, বুড়িরচর ইউনিয়নের সূর্যমুখী বাজার ও হরিশ মার্কেট থেকে সূর্যমুখী মাছঘাট পর্যন্ত এবং চরঈশ্বর ইউনিয়নের একাধিক এলাকায় বেড়িবাঁধের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্ষা মৌসুমে জোয়ার-ভাটার তীব্রতা ও নদীর প্রবল স্রোতের কারণে প্রতিদিনই বেড়িবাঁধগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বসতবাড়ি, কৃষিজমি, মৎস্যঘের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পাশাপাশি হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়তে পারেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলা, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আগেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

উপকূলবাসীর আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করবে এবং জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করবে, যাতে সম্ভাব্য ভাঙন ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : হাতিয়ার কথা

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাতিয়া মানব কল্যাণ ফোরামের শীতকালীন লেপ বিতরণ সম্পন্ন

হাতিয়া মানব কল্যাণ ফোরামের শীতকালীন লেপ বিতরণ সম্পন্ন