এদিন অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের করা জোড়া গোলে প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দুটি গোলের যোগানদাতাই ছিলেন কৃষ্ণা রাণী সরকার। ফুটসালে আক্রমণ ও রক্ষণ একসঙ্গে সামলাতে হয়। গোলের পাশাপাশি রক্ষণও সামলেছেন সাবিনা। ম্যাচের ধারাভাষ্যের চেয়ে সাবিনার ক্যারিয়ার ও ফুটবলার হিসেবে গুণাগুণের বেশি বিবরণ দিয়েছেন ধারাভাষ্যকার।
দ্বিতীয়ার্ধে ফের খেলায় ফেরার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে ভারত। কয়েকটি ভালো সেভ দিয়েছেন গোলরক্ষক ঝিলিক। ভারত গোল করে খেলায় ফিরতে না পারলেও বাংলাদেশ আরেকটি গোল করে। সুমাইয়া মাতসুসিমা কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে লিড ৩-০ করেন। এর কয়েক মিনিট পর ভারত এক গোল করলেও শেষমেষ হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
২০১৮ সালে এই থাইল্যান্ডেই এশিয়ান ফুটসালের বাছাই খেলেছিল বাংলাদেশ নারী দল। সাত বছর পর আবার আন্তর্জাতিক ফুটসালে খেলার সুযোগ পেল টাইগ্রেসরা।
সাবিনা, কৃষ্ণা, মাসুরা ও সুমাইয়াকে জাতীয় দলে ডাকেননি ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার। স্ট্যান্ডার্ড ফুটবলে খেলার সুযোগ না পেয়ে অবশেষে বাধ্য হয়ে ফুটসাল খেলছেন তারা। ফুটসালেও তারা যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিলেন। সুমাইয়া ও সাবিনার দেশের বাইরে ফুটসাল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারতের লড়াই ক্রীড়াঙ্গনে সব সময় উত্তেজনার। সাম্প্রতিক সময়ে আইপিএল থেকে বাংলাদেশি তারকা পেসার মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ইস্যুর পর ভারতে গিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এমন মুহূর্তে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ নারী ও পুরুষ ফুটসাল দল ভারতের বিপক্ষে টানা দু’দিন দুই ম্যাচ খেলল।
দুটি ম্যাচজুড়ে মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।