ঢাকা | বঙ্গাব্দ

লঞ্চে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: এক আসামির স্বীকারোক্তি, অন্যজন রিমান্ডে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ, ২০২৬
লঞ্চে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: এক আসামির স্বীকারোক্তি, অন্যজন রিমান্ডে ছবির ক্যাপশন:
ad728
হাতিয়া থেকে ঢাকায় আসার পথে রাজধানীর এক কলেজ শিক্ষার্থীকে লঞ্চে ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আরেক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার আদালতে গ্রেফাতার দুজনের মধ্যে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠুর ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দেয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই আদালত অপর আসামি মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

 
মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিনের (২৬) বাড়ি হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নে পশ্চিম বড় দাইল গ্রামে। তার বাবার নাম সাহাব উদ্দিন।


আর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠুর (৩২) বাবার নাম আবুল কালাম। তিনি একই ইউনিয়নের জোড়খালী গ্রামে।
 
এর আগে গেল রোববার ‘ধর্ষণের’ শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন ১৭ বছর বয়সি ওই ছাত্রী। এ ঘটনায় তার ভাই বাদি হয়ে সোমবার রাতে কোতোয়ালী থানায় সাকিব ও নুরুজ্জামানের নামে মামলা করেন। পরে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
 
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর ভাই উল্লেখ করেন, গত ৮ মার্চ রোববার দুপুরে আমার বোনকে (১৭) হাতিয়া তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ফারহান-০৪ নামক লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে উঠিয়ে দেন আমার বাবা। ঠিক একই সময় ওই লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চে উঠে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)। লঞ্চ ছাড়ার কিছু সময় পরে তারা আমার বোনের কেবিনের দরজা নক করে এবং তারা আমার বাবাকে চিনেন বলে জানায়। এরপর তাদের কাছে থাকা মোটরসাইকেল ক্রয়ের বেশ কিছু টাকা নিরাপত্তার স্বার্থে আমার বোনের কেবিনে রাখার জন্য অনুরোধ করলে আমার বোন সরল বিশ্বাসে তাদের টাকা কেবিনে রাখেন। পরে তারা কৌশলে আমার বোনের কেবিনের মধ্যে প্রবেশ করে আমার বোনের বেডে বসে পড়ে। আমার বোনের সঙ্গে কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন আমার বোনকে বিভিন্ন ধরনের কু-প্রস্তাব দিলে আমার বোন রাজি না হওয়ায় অভিযুক্তরা আমার বোনের গলা ও মুখ চেপে ধরে। তখন মিঠু আমার বোনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে যায়। এ সময় মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন কেবিনের দরজা বন্ধ করে আমার বোনকে ধর্ষণ করেন।
 
ভিকটিমের ভাই এজাহারে আরও অভিযোগ করেছেন, এ সময় আমার বোন ডাক-চিৎকার করার চেষ্টা করলে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন এ ঘটনা কাউকে জানাইলে আমার বোনকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে যান। পরে রাত ৮টার দিকে সাকিব ও মিঠু আবারও কেবিনে প্রবেশ করলে আমার বোন চিৎকার করার চেষ্টা করলে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে ভিকটিমকে আবার ধর্ষণ করে তারা। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির লালবাগ বিভাগের কোতয়ালী জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ  বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে ধরেছি। তাদের মধ্যে একজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্যজনকে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : হাতিয়ার কথা

কমেন্ট বক্স
হাতিয়ায় বিএনপি নেত্রী সোহেলীর বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

হাতিয়ায় বিএনপি নেত্রী সোহেলীর বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা