
পরিবারটির অসহায়ত্বের কথা শুনে রিয়াদ জানান, এত বড় সমস্যার সমাধান করার মতো সামর্থ্য তাঁর নেই। পরে তিনি পরিবারটিকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। কিন্তু তাদের কাছে ফেরার মতো কোনো ভাড়া ছিল না। ফলে লক্ষ্মীপুরে ফিরে যেতে না পেরে চট্টগ্রামের একটি দোকানের সামনে সারারাত না খেয়ে কাটাতে হয় পরিবারটিকে।
পরদিন স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে রিয়াদ আবার ছুটে যান তাদের কাছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিজের সাধ্যমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। একই সঙ্গে আশপাশের সাধারণ মানুষও অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।
পরিবারটির সঙ্গে থাকা দুই শিশুর একজনের বয়স আনুমানিক ১০ থেকে ১২ বছর, অন্যজন আরও ছোট। মায়ের জীবন বাঁচানো এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারটি।
এ অবস্থায় অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি মায়ের জীবন বাঁচাতে এবং দুটি অবুঝ শিশুর ভবিষ্যৎ রক্ষায় সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট্ট একটি সহযোগিতাও তাদের জন্য হয়ে উঠতে পারে বড় আশীর্বাদ।