সৈকত: হাতিয়ার কথা অনলাইন
নোয়াখালীতে গত দুই দিনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশ জানায়, দেশব্যাপী চলমান ‘ডেভিল হান্ট অপারেশন—ফেজ-২’-এর অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নাশকতা রোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন টিটু (৫৫), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম (৪৫), সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজির উল্লাহ ওরফে নাসির (৫০) এবং হাতিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন (৪৮)।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন— নোয়াখালী পৌরসভা যুবলীগের সক্রিয় সদস্য মিজানুর রহমান (৩৫), চরজব্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী মো. হাবিবুল্লাহ মাসুদ (৩৭), রামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আলী মাস্টার (৪০), কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন (৩৯), সোনাইমুড়ী উপজেলার পূর্বপাড়া যুবলীগের কর্মী মো. মানিক (৩০) ও মো. মাহফুজ (৩৩)। এ ছাড়া সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম (২৮) এবং বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সময়কাল ও এলাকা সম্পর্কে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে মাইজদী পুরাতন কলেজ এলাকা থেকে একজন এবং বেগমগঞ্জ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে কবিরহাট থেকে দুইজন, চরজব্বর থেকে দুইজন, হাতিয়া থেকে একজন, সোনাইমুড়ী থেকে দুইজন, সেনবাগ থেকে একজন এবং কোম্পানীগঞ্জ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখতে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
Hatiyar Kotha